logo

Rajshahi Metropolitan Police

Rajshahi, Bangladesh

ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, আরএমপি’র উদ্যোগে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে জুথি ফিরে পেল তার পরিবারকে

2 weeks ago

মোসাঃ আমেনা খাতুন জুথি নামের আনুমানিক ৮ বছরের একটি মেয়েকে গত ০২/০১/১৫ ইং তারিখে ভোর আনুমানিক ০৫.৫০ ঘটিকার সময় রাজশাহী রেলষ্টেশন-এ কান্নাকাটিরত অবস্থায় দেখতে পান  জনৈক মোঃ ফেরদৗস হোসেন(৩২)। অতঃপর তিনি শাহমখদুম থানায় এসে শিশুটিকে হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে মোসাঃ আমেনা খাতুন জুথিকে প্রেরণ করা হয় এবং পাশাপাশি তার পরিবারকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয়। জুথিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তার বাবা বাহরাইন প্রবাসী এবং বাড়ি লাঙ্গলকোট, কুমিল্লা। সে ঢাকায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো কিন্তু সেখানে সে মারধরের শিকার হত। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একদিন সে বাসা থেকে বের হয়ে ট্রেনে করে রাজশাহী চলে আসে। ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে থাকাকালীন সময়ে পরিবারকে খুঁজে না পাওয়ায় মোসাঃ আমেনা খাতুন জুথিকে দীর্ঘমেয়াদী পুর্নবাসনের জন্য ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি) কে বিধি মোতাবেক হস্তান্তর করা হয়। এসিডি’র তত্ত্ববধানে জুথি বেড়ে উঠতে থাকে এবং বর্তমানে তার বয়স ১৩(তের) বছর। সম্প্রতি ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পুলিশ পরিদর্শক পলি দাস জুথির পরিবারকে খুঁজে বের করার পুনরায় চেষ্টা করেন। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ওসি লাঙ্গলকোট কুমিল্লা’র সাথে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে ওসি লাঙ্গলকোটের নির্দেশে এসআই দিবাকর রায় তার নিজস্ব ফেসবুক টাইমলাইনে জুথির সকল বিবরণ শেয়ার করলে জুথির চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী শারমিন উক্ত পোস্টটি দেখার পর থানাতে যোগাযোগ করেন। অতঃপর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের উদ্যোগে জুথির পরিবারের সাথে যোগযোগ করা হলে জুথির পরিবার অদ্য ২৮/০৮/২০১৯ ইং তারিখে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, আরএমপি’তে আসে। মাননীয় পুলিশ কমিশনার জনাব হুমায়ুন কবির বিপিএম, পিপিএম, আরএমপি এর নির্দেশে এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জনাব সুজায়েত ইসলাম মহোদয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জুথিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জুথিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরকালীন মুহুর্তে উপস্থিত ছিলেন (ডান থেকে) এসি ভিএসসি জনাব সোনিয়া পারভীন, পুলিশ পরিদর্শক পলি দাস, ভিএসসি’র অন্যান্য পুলিশ সদস্যসহ জুথি ও তার পরিবার ।